প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার উল্লেখযোগ্য কমিটি: এসএমসি, পিটিএ, স্লিøপ


 

 

 

 

 

 

 

প্রতিবেদনের শিরোনাম:

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার উল্লেখযোগ্য কমিটি: এসএমসি, পিটিএ, স্লিø

প্রতিবেদন তৈরির সময়: সকাল টা

প্রতিবেদন তৈরির তারিখ: ৩০/০৫/২০২১ ইং

প্রতিবেদকের নাম ঠিকানা:

হাবিবুর রহমান

পাইকপাড়া বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

 রেজি

 

আলোকিত জনগোষ্ঠী গড়তে বাংলাদেশে শিক্ষার গুণগত মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত এক দশকে শিক্ষার সর্বস্তরেই চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিক্ষার এই ব্যাপক অগ্রগতি ও সক্ষমতা অর্জন অর্থনীতির ভিত্তিকেও করেছে মজবুত ও টেকসই, দেশকে বিশ্বের বুকে দিয়েছে পৃথক পরিচিতি। একসময় বিপুলসংখ্যক কোমলমতি শিশু স্কুলে যাওয়ারই সুযোগ পেতো না। অনেকে আবার স্কুলে গেলেও প্রাথমিক পর্যায় থেকে ঝরে পড়তো।

প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ সরকার নানাভাবেই বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রতিটি নাগরিকের শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশাল সাফল্য। তবে তার টেকসই বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে বিভিন্ন অংশীজনের  সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে।

বাংলাদেশের যে সকল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষা বিভাগ টি এগিয়ে চলছে তারমধ্যে সবচেয়ে চ্যালেন্জিং ও প্রধান অংশ হচ্চে প্রাথমিক শিক্ষা । প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্বার্থক ও কল্যানমুখী করতে কতগুলো উল্লেখযোগ্য কমিটি ও সমাবেশ করার কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় উন্নয়নে এসকল কমিটি ও সমাবেশ বিশেষ অবদান রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি)

বিদ্যালয় একটি সমাজের পড়াশোনার প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো। এলাকার শিশুরা এখানে পড়াশোনার পাশাপাশি অনেক নতুন কিছু শিখতে পারে।একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুর বেড়ে উঠার সাথে সাথে তাকে গ্রন্থবিদ্যা ও হস্তলিখা শিক্ষার সাথে সাথে নৈতিক মান সম্পূর্ণ করে গড়ে তুলতে পারে।শুধুমাত্র একজন দক্ষ প্রধান শিক্ষক এবং দক্ষ সহকারী শিক্ষকগণ কর্তৃক একটি আদর্শ বিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সমাজের শিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠি বিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ না করলে বিদ্যালয়ের শিখন-শেখানো কার্যক্রমের গুণগতমান বৃদ্ধি করা দূরুহ হয়ে পড়েতাই বিদ্যালয়ে শিখন-শেখানো কর্যক্রম সুষ্ঠভাবে সম্পূর্ণ ও কার্যকর করার জন্য সমাজ সম্পৃক্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি)-এর মাধ্যমে বিদ্যালয় সমাজ সম্পৃক্ত হয়ে উঠে। তাছাড়া অভিভাবকগণ বিদ্যালয় সম্পৃক্ত হলে শিক্ষকগণের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হয়। এজন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে এসএমসি রয়েছে। এসএমসি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে পারলে বিদ্যালয়ের উন্নতি সাধন করা সহজ হয়। নিচে এসএমসির গঠন- দায়িত্ব ও কর্তব্য দেওয়া হল:

কমিটি গঠন:

১.১ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক/ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক- সদস্য সচিব

১.২ অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে মনোনীত একজন বিদ্যোৎসাহী মহিলা অভিভাবক (নূন্যতম এসএসসি পাশ)- সদস্য

১.৩ অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে মনোনীত একজন বিদ্যোৎসাহী পুরুষ অভিভাবক (নূন্যতম এসএসসি পাশ)- সদস্য

১.৪ বিদ্যালয়ের একজন জমিদাতা/জমিদাতার উত্তরাধিকারী (যদি থাকেন)-সদস্য

১.৫ একই উপজেলার সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী যে কোন সরকারি /বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালযের একজন শিক্ষক/শিক্ষিকা-সদস্য

১.৬ সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক /শিক্ষিকাদের মধ্যে থেকে নির্বাচিত একজন শিক্ষক প্রতিনিধি - সদস্য

১.৭-১.৮ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছা্ত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে নির্বাচিত দুজন মহিলা অভিভাবক-সদস্য

১.৯-১.১০ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছা্ত্রীদের অভিভাবকদের মধ্য হতে নির্বাচিত দুজন পুরুষ অভিভাবক-সদস্য

১.১১ ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য/পৌর এলাকার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কমিশনার/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর- সদস্য

এসএমসির  দায়িত্ব ও কর্তব্য

 ১। প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন।

২। বিদ্যালয়ের শিক্ষাদান সংক্রান্ত কার্যাবলীর পরিবীক্ষন ( মনিটরিং ), বিদ্যালয়ের ব্যাবস্থাপনা, শিক্ষক-ছাত্রের উপস্থিতি,শিক্ষক- শিক্ষিকাদের কর্তব্য পরায়ণতা ও পাঠদানের উপর প্রতি জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই ও অক্টোবর মাসের ৭ তারিখের মধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রেরন ( এই প্রতিবেদনে চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব অর্থাৎ প্রধান শিক্ষক যুগ্ম ভাবে স্বাক্ষর করবেন )।

৩। উন্নয়ন মুলক কাজ, যেমন- বিদ্যালয় গৃহ, রাস্তা নির্মান, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সহ অন্যান কাজে সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদান করবেন।

৪। বিদ্যালয় গমনপযোগি সকল শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি, উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয় ত্যাগি শিশুদের ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ গ্রহন, ঝরে পড়া রোধ করাও এস এম সির সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।।

৫। প্রতি মাসে একবার কমিটির সভা অনুষ্ঠান, বিদ্যালয়ের কার্যাবলী ও অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং গৃহিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহন করা ।

৬। মাসিক রিটার্নে /শিক্ষকদের বেতন বিলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান ( সভাপতি ) প্রতিস্বাক্ষর করবেন এবং তা কমিটির সদস্য সচিব অর্থাৎ প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরন করবেন।

৭। বিদ্যালয়ের সমস্যাবলি নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির যোগসূত্র স্থাপন এবং সমন্বয় সাধন করবেন ।

৮। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় সংস্কার ও মেরামত কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সমাপ্তি প্রতিবেদনে ম্যানিজিং কমিটির সংগে আলোচনা করে কমিটির সদস্য সচিব অর্থাৎ প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর প্রদান নিশ্চিত করবেন ।

৯। উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সহযোগিতায় বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন ।

১০। বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নে জমি, রাস্তা, খেলার মাঠ এবং বৃক্ষ রোপন ও তা পরিচর্যা করবেন ।

১২। পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষা উপকরন সংগ্রহ, সংরক্ষন এবং বিতরন করবেন ।

১৩। বিদ্যালয়ের সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম যেমন- জাতিয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ও পক্ষ, আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, পুরুস্কার বিতরণী , খেলা ধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি কার্যক্রম আয়োজন ও সম্পাদনে সহযোগিতা প্রদান করবেন ।

১৪। শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি কর্মসুচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান করবেন ।

১৫। শিক্ষক-অভিভাবক সমিতির (পিটিএ)সংগে সংযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করবেন ।

১৬। বিদ্যালয়ের সাব-ক্লাষ্টার ট্রেনিং এ সহযোগিতা প্রদান করা। বিদ্যালয় পরিদর্শনে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সহযোগিতা প্রদান করা এবং প্রয়োজনে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন ।

১৭। এছাড়াও সরকার কর্তৃক অর্পিত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন ।

শিক্ষক অভিভাবক সমিতি (পিটিএ)

শেখানো কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে সম্পূর্ণ করতে হলে শিশুদেরকে নিবিড়ভাবে জানতে হয়। আর শিশুকে নিবিড়ভাবে জানার জন্য তাদের মা-বাবা, অভিভাবকের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা জরুরি। তাছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন ও অভিভাবকগণ বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শিক্ষকগণের সঙ্গে মত বিনিময়ের মাধ্যমে শিশুদের দুর্বলতা নির্ধারণ করা এবং তা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজে শিক্ষকগণকে সহায়তা করতে পারেন। তাছাড়া অভিভাবকগণ বিদ্যালয় সম্পৃক্ত হলে শিক্ষকগণের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হয়। এজন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অভিভাবক সমিতি (পিটিএ) রয়েছে। শিক্ষক অভিভাবক সমিতি অভিভাবকগণের সাথে বিদ্যালয়ের সুসম্পর্ক স্থাপন করতে পারে। ফলে বিদ্যালয়ের প্রতি জনগণের অংশীদারিত্বমূলক মনোভাবের সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয় হয়ে ওঠে জনগণের প্রতিষ্ঠান। পিটিএ কার্যকর থাকলে শুধু শিক্ষকগণেরই নয় এসএমসির দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনেও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।

সমিতি গঠনের লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্য:

Ø  শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা।

Ø  শিক্ষক-অভিভাবকদের যৌথ প্রয়াসে শিক্ষার গুণগত মনোনয়নের জন্য গৃহীত উদ্যোগকে জোরদার করা।

Ø  বিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকান্ডে অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করা। তৃণমুল পর্যায়ে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা।

Ø  শিক্ষক-অভিভাবকদের দায়িত্ব ও কর্তৃব্যের মূল্যায়ন করা। স্থানীয়ভাবে সমস্যার সমাধানকে উৎসাহিত করা

Ø  কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন

স্লিপ:

 

বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা (School Level Improvement Plan) সংক্ষেপে (SLIP) নামে পরিচিত। মূলতঃ এটি একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা। এটি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নের একটি প্রারম্ভিক দলিল হিসেবে বিবেচিত এবং বিদ্যালয়ে উন্নয়নের একটি অন্যতম হাতিয়ার। মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যালয়ের শিখন শেখানো ও শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নের জন্য তিন বছরের একটি আবর্তক পরিকল্পনা হিসেবে প্রণয়ন করা হয়। উক্ত মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রতি অর্থবছরের একটি বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা বা AWP (Annual Work Plan) প্রণয়ন কতে হবে, যা স্লিপ দলিলের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। স্লিপ প্রণয়নকালে স্থানীয় জনগণের আশা-প্রত্যাশা প্রাধিকার প্রদান করতে হবে। স্লিপ বাস্তবায়নের মাধ্যম সকল বিদ্যালয়কে কার্যকরি ও শিশুবান্ধব প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করে শিশুদের জন্য একটি আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টিতে সক্ষম করতে হবে যা শিক্ষার মানোন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। এটি বিদ্যালয় পর্যায় হতে কেন্দ্রিয় পর্যায় পর্যন্ত নিম্ন হতে ঊর্ধ্বগামী চাহিদাভিত্তিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া। এ উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল উপজীব্য বিষয় হল বিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস্তবতা এবং প্রয়োজনভিত্তিক বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন। স্লিপ গ্র্যান্টকে সিডমানি বা উদ্যোগ শুরুর অর্থ হিসেবে গণ্য করে স্থানীয় সম্পদের সমন্বয়ে বিদ্যালয়কে কাক্ষিত মানে উন্নীতকরণ এর লক্ষ্য। বিদ্যালয়ে শিশুবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করে একীভূত, সমতাভিত্তিক, সুষম ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতরকরণের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্কিত শিক্ষক শিক্ষার্থী, এসএমসি, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগেষ্ঠির সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্লিপ প্রণীত হয়। স্লিপের সুষ্ঠ বাস্তবায়ন পিইডিপি ৪ এর লক্ষ ও উদ্দেশ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 


SHARE THIS
Previous Post
Next Post